• samity@bcs.org.bd
  • |
  • +880 9639 33 44 55
  • Date: 28th January - 31st January 2026
  • |
  • Time: 4:16 PM
  • |
  • Venue: বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র

আগামীকাল বুধবার থেকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হচ্ছে চার দিনের ‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো’। প্রযুক্তির সাম্প্রতিক উদ্ভাবন, তথ্যপ্রযুক্তিতে দেশের সক্ষমতা, সাফল্য ও সম্ভাবনা তুলে ধরতে আয়োজিত তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক এ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) যৌথভাবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করছে। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

 

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশের প্রযুক্তি খাতের সবচেয়ে বড় এ প্রদর্শনীতে স্থানীয় প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনকারী ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান, স্টার্টআপ, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবন প্রদর্শনের পাশাপাশি পাঁচটি সেমিনার ও চারটি প্যানেল আলোচনা হবে। ইনোভেশন, ডিজিটাল ডিভাইস, মোবাইল, ই–স্পোর্টস, বিটুবি ও ডিজিটাল ডিভাইস জোনে বিভক্ত এ প্রদর্শনীতে বিশেষ ছাড়ে প্রযুক্তিপণ্য কেনার পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ ছাড়ে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন কেনা যাবে। প্রদর্শনীতে স্যামসাং তিন ভাঁজের স্মার্টফোন ও অনার ডিপফেক ভিডিও শনাক্তের স্মার্টফোনসহ বিভিন্ন মডেলের স্মার্টফোন নিয়ে অংশ নেবে। স্মার্টফোন ও প্রযুক্তিপণ্য কিনলে বিভিন্ন পুরস্কারের পাশাপাশি লটারির মাধ্যমে ই–বাইকও পাওয়া যাবে। আগামীকাল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রদর্শনী দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। প্রদর্শনীতে বিনা মূল্যে প্রবেশের সুযোগ থাকলেও অনলাইনে অথবা প্রদর্শনী প্রাঙ্গণে নিবন্ধন করতে হবে।

 

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, অনলাইনে ভুয়া তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে সরকারের একাধিক সংস্থার সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি কমিটি কাজ করছে। এ ছাড়া শুধু আইসিটি বিভাগেরই ২১ প্রকৌশলী ২৪ ঘণ্টা এই কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো সন্দেহজনক পোস্ট বা আধেয় (কনটেন্ট) শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বিশ্লেষণ ও সত্যতা পরীক্ষা করে তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় সাইবার সিকিউরিটি কর্তৃপক্ষকে জানান তাঁরা।

বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবন ও দেশীয় প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়াতে প্রদর্শনী প্রাঙ্গণে বিভিন্ন সেমিনার ও জ্ঞানভিত্তিক আয়োজন করা হবে। জনসচেতনতা বৃদ্ধি, আইসিটি খাতে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, তরুণদের অংশগ্রহণ, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে এই প্রদর্শনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা বলেন, হাইটেক পার্কের কারণে জেলা ও উপজেলা, এমনকি প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও প্রযুক্তির সুফল পাচ্ছে। এবারের প্রদর্শনীতে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের সেরা উদ্ভাবনগুলো প্রদর্শন করা হবে। আন্তর্জাতিক ও দেশীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত অংশগ্রহণ বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রাকে তুলে ধরবে।

Share On: